sa.gif

রামরুর সেমিনারে বক্তারা
নির্মাণ খাতের শ্রমিকরা আইনি সুরক্ষা পাচ্ছেনা
আওয়াজ প্রতিবেদক :: 23:38 :: Sunday March 6, 2016 Views : 34 Times

নির্মাণ খাতের শ্রমিকরা আইনি সুরক্ষা পাচ্ছেন না। এ খাতের শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য আইন থাকলেও সরকারের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ শ্রম আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থা দায়িত্ব পালন না করার কারণে শ্রমিকরা বঞ্চিত হচ্ছে। এ কথা বলেন নির্মাণ খাতের শ্রমিক, শ্রমিক নেতা ও গবেষকরা।

গত বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ)সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেমিনারে তারা এ সব কথা বলেন। সিআর আবরার উপস্থাপনায় সেমিনারে আলোচক ছিলেন, ড. হামিদা হোসেন, গণস্বাস্থ্যের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিলস এর সৈয়দ সুলতান আহমেদ, নির্মাণ খাতের উদ্যোক্তা মমতাজুল ইসলাম, এডভোকেট জাফরুল হাসান, শ্রমিক নেতা মাহাবুবুল আলম, ফয়েজ হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সৈয়দ সুলতান আহমেদ বলেন, নির্মাণ খাতের শ্রমিকদের বঞ্চনার একমাত্র কারণ হলো, শ্রমিকদের নিয়োগপত্র না থাকা। নিয়োগপত্র নিশ্চিত করা গেলে শ্রমিকদের সকল পাওয়ার পথ পরিস্কার হবে। তিনি বলেন, নিয়োগপত্র ছাড়া কাজ করাতে পারা মানেই হলো আইন ও শ্রমিককে অস্বীকার করা। মালিকরা মনে করে এ অবস্থায় কাজ করতে পারলে শ্রমিকের যে কোন দাবি থেকে দূরে রাখা সম্ভব। এবং তারা করছেও তাই।

তিনি আরও বলেন, দরপত্র ছাড়া সরকারের কোন কাজ হয় না। দরপত্র দেয়ার সময় শ্রমিকদের মজুরি ও নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ থাকলে শ্রমিকদের অধিকার পেতে সহজ হয়। এতে নিয়োগকর্তা যেমন সচেতন হয় তেমনি শ্রমিকরাও দায়িত্ববান হয়। প্রচলিত শ্রম আইন বাস্তবায়নের জন্য তিনি জোর দেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সরকার রাজনৈতিক নেতাদের মনিটরিং এর জন্য সিসি ক্যামেরা বসাতে পারলেও শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সে ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে না। পাশাপাশি শ্রমিকরাও অসচেতন হওয়া অধিকার আদায়ের পথে অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা।

ড. হামিদা হোসেন বলেন, কারখানা পরিদর্শকরা সঠিক কাজ করেন না। তারা কোন কারখানা বা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে গিয়ে গিয়ে ম্যানেজারের সাথে আলাপ করে ‘সঠিক আছে’ সার্টিফিকেট দিয়ে চলে আসে। এর মধ্য দিয়ে শ্রমিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বা অস্বাস্থ্যকর ও ঝুকিপুর্ণ পরিবেশে কাজ করছে, তা গোপন থেকেই যাচ্ছে।

এ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান বলেন, রাজধানীর ভবন নির্মাণের আগে যে নকসা অনুমোদন দেয়া সেখানে সচেতন হলেও শ্রমিকের নিরাপত্তার অর্ধেক কাজ হয়ে যায়।
ফয়েজ হোসেন বলেন, অন্যান্য ক্ষেত্রে দাঁদন উঠে গেলেও নির্মাণ খাতে এখনও দাঁদন আছে। গ্রামাঞ্চলে নামেমাত্র টাকার নামে দাঁদন দিয়ে শ্রমিক এনে শহরে নির্মাণ খাতে কাজ করানো হয়।



Comments





Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution