sa.gif

জঙ্গীবাদের অর্থের উৎস অনুসন্ধানে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫০ লাখ টাকা ঋণ নিলেই তদারকি নির্দেশ
আওয়াজ প্রতিবেদক :: 23:55 :: Wednesday March 21, 2018 Views : 50 Times

মালিকানায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এলেও ইসলামী ব্যাংকের সেই ধর্মীয় মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের পুষপোষকতা বাদ যায়নি।ব্যাংকটির লেনদেন, ইসলামী ব্যাংকের পুষ্টপোষকতায় পরিচারিত ইসলামী এনজিও ও ব্যাংকটির সিএসআর এর মাধ্যমে এ ধরনেরে অনিয়ম হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশে জঙ্গিবাদের অর্থের উৎস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও জোরদারকরণ এবং এ কার্যক্রম অধিকতর সমন্বয়ের লক্ষে গঠিত টাস্কফোর্সের ৪র্থ সভায় বিষয়টি উঠে আসে।
চলতি মাসের ১৮ মার্চ এ ব্যাপারে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ ব্যাপারে একটি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সরকারের সকল গোয়েন্দা সংস্থা, ইসলামী ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ব্যাংককে এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছে।

আসলেও ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বেশির ভাগই জামায়াতে ইসলামীর সাথে সম্পৃক্ত। একইসঙ্গে ধারনা করা হয় ব্যাংকটি থেকে যারা ঋণের সুযোগ পায় তাদের একটা অংশও এই রাজনৈতিক দলটির ভাবাদর্শের । ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কোন গ্রহীতা জঙ্গি অর্থায়ন করছে কীনা সে বিষয়ে সর্তক থাকতে চায় সরকার। এ অবস্থায় ব্যাংকটি ৫০ লাখ টাকার ওপরের ঋণ গ্রহীতাদের তথ্য নতুন করে তদারকি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি টাস্কফোর্সের সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সভপতিত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার কার্য বিবরণী থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়াও ইসলামী ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজ্ওি) কার্যক্রমও তদারকি হবে । সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেশের সব গোয়েন্দ সংস্থা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে।

উল্লেখ্য, অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ি ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে ব্যাংকটি মোট ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৬৮ হাজার ৩০৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান ট্রাস্টফোর্সের আলোচিত বিসয়টিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ব্যাংকটির সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য একজন পরিচালক এ ধরনের অপ্রচার করছে বলে জানান।

৪র্থ টাক্সফোর্স সভার কার্য বিবরণী থেকে আরো জানা গেছে, বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিস , মোবাইল ব্যাংকিং ও বিকাশ এবং এ ধরণের সকল অনলাইন মাধ্যমে আন্তর্জাতিক লেন- দেনে নজরদারিতে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণোয়নের পদক্ষেপ নিতে অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি স্কুল, কলেজ , মাদ্রাসা, হাসপাতাল , ক্লিনিক, কোচিং সেন্টার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে জঙ্গী তৎপরতা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কী না সে বিষয়েও সর্তক নজরদারি রাখা হবে বলে জানা গেছে।
বৈঠকে উপস্থিত সূত্র জানায়, জঙ্গি আর্থায়নের সন্দেহভাজন এনজিওগুলোর বিষয়ে কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক্ষেত্রে জঙ্গি অর্থায়নে সম্পৃক্ত এমন সন্দেহজনক এনজিওগুলোকে নিয়মিত তদারকি করে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, অনেক এনজিও ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণের মাধ্যমে গ্রাম অঞ্চলে জঙ্গি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে টাক্সফোর্স ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারি এনজিওগুলোর বিষয়ে যাচাই করবে। সন্দেহজনক টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে জঙ্গী আর্থায়ন হচ্ছে কীনা সে বিষয়ে নজরদারী অব্যহত থাকবে।

সভায় প্রবাসী আয় রেমিট্যান্স) এবং দেশের সকল অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং লেনদেনের কোন অর্থ জঙ্গিবাদের কাজে ব্যবহার হচ্ছে কীনা সে বিষয়ে গোয়েন্দা নজদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। অবৈধ ব্যাংকিং লেনদেনের কোন তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে থাকলে তা তাৎক্ষণিক গোয়েন্দা সংষ্থাকে অবহিত করতে হবে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দ সংস্থাগুলো অনুসন্ধান করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। এক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় প্রয়োজনে যে কোন ধরনের আইনী ব্যবস্থা নিবে।



Comments





Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution