sa.gif

ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম নিরসনে ২৮৪ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
আওয়াজ প্রতিবেদক :: 14:20 :: Wednesday May 9, 2018 Views : 13 Times

দেশে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য চতুর্থ পর্যায়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে ‘বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্প’। আগের তিন পর্যায়ের বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় নতুন করে প্রকল্প সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সরকারিভাবে চিহ্নিত ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত এক লাখ শিশু পাবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা। আরও এক লাখ শিশুকে দেয়া হবে কারিগরি প্রশিক্ষণ। সেই সঙ্গে প্রতি মাসে দেয়া হবে এক হাজার টাকা করে বৃত্তি। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পটির বাস্তবায়ন করবে।

মঙ্গলবার ৮ মে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সভা শেষে এ কথা বলেন।


বৈঠকে এই প্রকল্পসহ ১৩ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৭ হাজার ৪৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৪২ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৬ হাজার ১৯৬ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। শিশু শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বের করে এনে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রকল্পের মাধ্যমে ৮টি বিভাগের ১৪টি এলাকার মোট ১ লাখ শিশু শ্রমিককে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং আরও ১ লাখ শিশুকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই সঙ্গে প্রতি মাসে দেয়া হবে এক হাজার টাকা করে বৃত্তি।

‘জাতীয় জীন ব্যাংক প্রকল্প’ অনুমোদন

মুস্তফা কামাল বলেন, জেনেটিক সম্পদ এই গ্রহের প্রাথমিক সম্পদ। প্রাণিসম্পদ, উদ্ভিদ, অণুজীব, কীটপতঙ্গ এবং সামুদ্রিক অণুজীবের শুক্রাণু ও ডিম্বানু সম্পর্কে জানতে হবে। একইসঙ্গে সংরক্ষণও করতে হবে। এগুলো কিভাবে কাজে লাগানো যায় তার গবেষণা করতেই ‘জাতীয় জীন ব্যাংক’ স্থাপন করব। আমরা জীন সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছি।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২১ এর জুন মেয়াদকালে বাস্তবায়ন হবে। এতে ৪৬০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। যা পুরোটাই সরকারি টাকা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আওতায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি ও গণপূর্ত অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প এলাকা ঢাকার সাভারে।

খুলনা-দর্শনা রেলপথে ডাবল লাইন প্রকল্প অনুমোদন

খুলনা-দর্শনা জংশন সেকশনে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে একনেক। প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫০৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে ভারতীয় ঋণ ২ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা।

রেলপথের বিদ্যমান সমস্যা দূর করতেই প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। ঢাকা-খুলনা এবং খুলনা-চিলাহাটি (লালমনিরহাট) করিডরে পরিবহনে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। ভারতের সঙ্গে রেলপথে মালামাল পরিবহনেও প্রকল্পটি অবদান রাখবে।

জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য হারিয়ান, ভেড়ামারা পাওয়ার প্ল্যান্টে ভারত থেকে মালামাল পরিবহন করা হবে। ফরিদপুর, রংপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে তেলভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করবে সরকার।



Comments





Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution