sa.gif

টিআইবি বক্তব্যের প্রতিবাদে বিজিএমইএ যা বললো
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :: 00:12 :: Thursday April 25, 2019 Views : 145 Times

টিআইবি রানা প্লাজা দূর্ঘটনার ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রাক্কালে গত ২৩ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পোশাক শিল্প নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনটির কয়েকটি ইস্যু বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। এই বিষয়গুলোতে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা নিম্নরুপঃ প্রথমত, নতুন মজুরি কাঠামোতে মূল মজুরির উপর বার্ষিক ৫% হারে ইনক্রিমেন্ট সম্বনয় করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যার সাথে আমরা একমত নই। যেখানে ৫% হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রদান করা হলে ৫ বছর শেষে সামগ্রিক ইনক্রিমেন্ট এর হার দাঁড়ায় ২৭.৬৩%, সেখানে মজুরি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত মজুরি কাঠামোতে মূল মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছে ২৮.৭% থেকে শুরু করে ৩৬.৭% পর্যন্ত। আমাদের প্রত্যাশা, টিআইবি তাদের গবেষনা পদ্ধতি আমাদের সাথে শেয়ার করবে।

দ্বিতীয়ত, শ্রমিকের দক্ষতা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এটা মাসিক ভিত্তিতে নির্ধারন করা হয় না। আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, আমরা একটি প্রতিযোগিতাময় বিশ্ব বাজারে কাজ করছি, যেখানে টিকে থাকার মূল মন্ত্রই হচ্ছে কারখানার আর্থিক সক্ষমতা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, যেখানে চীন, ভিয়েতনাম ও তুরস্কের শ্রমিকদের দক্ষতার হার হচ্ছে যথাক্রমে ৬৫%, ৫৫% এবং ৭০%, সেখানে আমাদের শ্রমিকদের দক্ষতা মাত্র ৪০%-৪৫%। আমাদের জানামতে, নূন্যতম মজুরি বৃদ্ধি এবং দক্ষতার মধ্যে আন্তঃসম্পর্কের বিষয়টি মজুরি বোর্ড এর বিবেচনায় ছিলো না। যাই হোক, আমরা একান্তভাবে আশা করি, ভবিষ্যতে রেফারেন্স হিসেবে শিল্পের প্রতিযোগি সক্ষমতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে মজুরি’কে সবসময় দক্ষতার সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। আমরা মনে করি, মজুরি - দক্ষতা ম্যাট্রিক্স নির্ধারন করা হলে দক্ষতা অনুযায়ী শ্রমিকরা তাদের মজুরি পাবে।

তৃতীয়ত, উল্লেখিত প্রতিবেদনে উৎপাদন ঘন্টা চলাকালে শ্রমিকরা টয়লেটে যেতে পর্যন্ত পারছে কিনা তার কথা বলা হয়েছে, অতিরিক্ত মজুরি প্রদান না করে শ্রমিকদের দিয়ে অতিরিক্ত কাজ করিয়ে নেয়ার কথাও বলা হয়েছে। এই বিষয়গুলো টিআইবি প্রতিবেদনে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমানসহ যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি। একইভাবে এই প্রতিবেদনে শ্রমিকদের যথাযথ ক্ষতিপূরন প্রদান না করার কথা বলা হলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপাত্তের ঘাটতি রয়েছে।
আমরা মনে করি, এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের পূর্বে যদি টিআইবি ও বিজিএমইএ একসাথে কাজ করতে পারে, তাহলে এ ধরনের তথ্য বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হবে। অধিকন্তু, রানা প্লাজা দূর্ঘটনা বার্ষিকীর ঠিক পূর্বে এমন একটি ষ্পর্শকাতর সময়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ মোটেই কাম্য নয়।
আমাদের এই পোশাক শিল্প এককভাবে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করছে। এই শিল্পটি বিগত বছরগুলোতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরন ও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় অর্ভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছে। শুধুমাত্র ৮০টি কারখানাকে স্যাম্পল হিসেবে নিয়ে সমগ্র শিল্পকে নিয়ে ঢালাও প্রতিবেদন প্রকাশ করে শিল্পকে হেয় করা কোনমতেই কাম্য নয়।



Comments





Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution