sa.gif

জাহাজকাটা শ্রমিকদের স্বার্থ দেখার কেউ নেই, সবাই ব্যবসা করে
- মো. রাজিবুল ইসলাম



জাহাজ শ্রমিকদের নিয়ে সবাই ব্যবসা করে। জাহাজ ভাঙ্গা শ্রমিকরা জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করে তাদের ¯^ার্থ দেখার কেউ নেই। এনজিও বলেন, সুশিল বলেন, সরকারি কর্মকর্তা বলেন- সবাই এ সব শ্রমিকদের নিয়ে ধান্দা করে পকেট বোঝায় করে। শ্রমিকদের ভাগ্যের কোন কোন পরিবর্তন হয়না।

দেশের শ্রম আইন আছে। এ সব শ্রমিকের জন্য ন্যুনতম মজুরি ঘোষণা করা আছে কিন্তু কোন কিছুই এ সব শ্রমিকদের জন্য কার্যকর নেই। মানবেতর জীবন যাপন করা এ সব শ্রমিকের জন্য এনজিওগুলো মাঝে মাঝে দরদ দেখায়। কিন্তু সে দরদ সত্যিকারের দরদ নয়। জাহাজ ভাঙ্গা শ্রমিকদের ব্যবহার করে বিদেশ থেকে তহবিল সংগ্রহ করে তারপর সরে পড়ে শ্রমিকদের নিয়ে তারা কোন কাজ করে না। বড় জোর শ্রমিকদের নিয়ে কটা ছবি তুলে, একবেলা নাস্তা খেতে দেয়, একটি ওয়ার্কশপ করে-তার বেশি নয়। এমন কি যে শ্রমিকটিকে দিনের কাজ বন্ধ করে ওয়ার্কসপে ডেকে আনে সেই দিনের হাজিরার টাকাও দেয় না। অথচ এই এনজিওগুলো এই সব শ্রমিককে দেখিয়ে বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে আসে। এনজিও গুলোর কাজই হলো এই সব শ্রমিককে দেখিয়ে বিদেশে থেকে টাকা নিয়ে নিজে বড়লোক হওয়া।


এই সব শ্রমিকদের স্বার্থ দেখার জন্য কলকারখানা অধিদপ্তরের লোকজন সিতাকুন্ডের কাছেই আছে। তারা শ্রমিকদের কোন কাজে লাগেনা। তারা মালিকদের দ্বারা ম্যানেজ হয়ে ফিরে চলে যায়। হয়তো ঘুষ খেয়ে চলে যায়। তা না হলে এসব শ্রমিকের নিয়োগ পত্র নেই। ন্যুনতম মজুরি কার্যকর নেই-কেন তারা এ সব দেখে না। তাদের কাছে অভিযোগ করেও কোন কাজ হয় না।

এ সব জাহাজ ভাঙ্গা ইয়ার্ডে শ্রমিকরা মাঝে মাঝে মারা যায়,পঙ্গু হয়। কোন শ্রমিক পঙ্গু হলে তাকে কোন ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় না। অথচ ওই শ্রমিকটি ইয়ার্ডে কাজ করতে গিয়ে পঙ্গু হয়ে নিজের এবং পরিবারের জন্য বোঝা হলেন। এটা খুবই অমানবিক। মারা গেলেও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয় সামান্য। একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তিটি মারা যাওয়ার পর পুরো পরিবারটি পথে বসলো কিন্তু তাদের দেখার কেউ নেই। না মালিক, না সরকার-কেউ তাদের দেখবে না। লোক চক্ষুর অন্তরালে  কেউ মারা গেলে ওই শ্রমিকের পরিবারের জন্য কোনই ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় না।

জাহাজ ভাঙ্গা ইয়ার্ডে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। শ্রমিকরা ট্রেড ইউনিয়ন করবে জানতে পারলেই ছাঁটাই। এমনকি বাইরের মাস্তান দিয়ে শ্রমিকদের মারধর করে এলাকা ছাড়া করাবে। আর মাস্তান দিয়ে কোন কাজ না হলে মালিকরা ওই শ্রমিককে বলে দেবে ‘তোমাকে আর এ কারখানার দরকার নেই। কাল থেকে তোমার কা নেই।’ অথচ এটা দেখার জন্য কল কারখানা অধিদপ্তর বা অন্য কোন লোক থেকেও নেই। এনজিওগুলো শ্রমিকদের কোন কাজে আসে না।

বছরের দুটি ইদ আসে। শ্রমিকদের কোন ইদ বোনাস দেওয়া হয় না। শ্রমিকরা দাবি দাওয়া তুললেও মালিকরা কানে তোলে না। কলকারখানা অধিদপ্তর আর সুবিধাবাদী কিছু লোককে ম্যানেজ করে শ্রমিকদের বঞ্চিত করে।






Pakkhik Sramik Awaz
Reg: DA5020
News & Commercial:
85/1 Naya Paltan, Dhaka 1000
email: sramikawaznews@gmail.com
Contact: +880 1972 200 275, Fax: +880 77257 5347

Legal & Advisory Panel:
Acting Editor: M M Haque
Editor & Publisher: Zafor Ahmad

Developed by: Expert IT Solution